দিদি একদম দারুণ ফর্মে আছে💯
### বিবাহিত বোনের লুকানো আগুন
আমার নাম অভিজিৎ। আমি একটা মাঝারি শহরে থাকি, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে লাস্ট ইয়ারে পড়ি। আমাদের পরিবার ছোট – বাবা-মা, আর আমার দিদি মিতা। মিতা দিদি আমার থেকে ছয় বছরের বড়, তার বিয়ে হয়েছে তিন বছর আগে। তার স্বামী সৌরভ একটা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে ম্যানেজার, দিল্লিতে থাকে। দিদি মাঝে মাঝে আমাদের বাড়িতে আসে, কিন্তু তার মুখে সবসময় একটা অভাবের ছাপ। সৌরভ দাদা সবসময় ট্যুরে থাকে, দিদিকে সময় দেয় না। আমি জানি, দিদি তার জীবনে সুখ পায়নি, বিশেষ করে শারীরিক সুখ। তার চোখে একটা আগুন জ্বলে, যা কেউ দেখতে পায় না, কিন্তু আমি বুঝি।
এবারের গরমের ছুটিতে দিদি বাড়িতে এলো, আর তার সাথে এলো তার একটা নতুন বান্ধবী, নাম শ্রাবন্তী। শ্রাবন্তী একটা হট মডেল টাইপের মেয়ে – লম্বা ফিগার, কালো লম্বা চুল, ফর্সা গায়ের রং, আর তার হাসিতে একটা দুষ্টুমি। দিদি বলল, "অভি, এটা শ্রাবন্তী, আমার অফিসের কলিগ। ওর বাড়ি এখানে কাছেই, তাই সাথে নিয়ে এসেছি। কয়েকদিন থাকবে।" শ্রাবন্তী আমাকে দেখে চোখ মারল, তার ঠোঁটে একটা সেক্সি হাসি। আমি ভাবলাম, এই মেয়েটা তো ঝড় তুলবে!
প্রথম দিন সন্ধ্যায় আমরা সবাই ছাদে বসে গল্প করছি। দিদি তার জীবনের কথা বলতে গিয়ে থেমে গেল। "সৌরভ তো সবসময় ব্যস্ত। আমাকে একা রেখে যায়।" শ্রাবন্তী হাসল, "মিতা, তুই চিন্তা করিস না। জীবন তো চলতে থাকে। কখনো নতুন কিছু চেষ্টা করতে হয়।" তার কথায় একটা ইঙ্গিত ছিল, আর তার চোখ আমার দিকে। আমি অস্বস্তি বোধ করলাম, কিন্তু শরীর গরম হয়ে উঠল। রাতে খাওয়ার পর সবাই শুতে গেল। আমি আমার ঘরে লাইট অফ করে শুয়ে আছি, হঠাৎ দরজায় হালকা নক। দরজা খুলে দেখি দিদি দাঁড়িয়ে, পরে আছে একটা সিল্কের নাইটি, যা তার শরীরের প্রত্যেকটা কার্ভ দেখাচ্ছে। তার স্তন ভারী, কোমর সরু, আর তার চোখে একটা ক্ষুধা।
"অভি, ঘুম আসছে না। তোর সাথে একটু কথা বলি?" দিদি ভিতরে ঢুকে দরজা লক করল। আমরা বিছানায় বসলাম। দিদি বলতে শুরু করল, "জানিস অভি, সৌরভ আমাকে ছোঁয় না। মাসের পর মাস কেটে যায়। আমি তো একটা মেয়ে, আমার শরীরে আগুন জ্বলে। তুই তো বড় হয়েছিস, বুঝিস না?" তার হাত আমার হাতে রাখল, তার আঙ্গুল আমার বুকে ঘুরছে। আমি বললাম, "দিদি, তুমি এত হট, কেন সে তোমাকে অবহেলা করে? তুমি তো যে কোনো ছেলেকে পাগল করতে পারো।" দিদি আমার কাছে ঘেঁষে এলো, তার গরম নিশ্বাস আমার গালে লাগল। "তাহলে তুই কেন পাগল হচ্ছিস না? আমাকে একবার ছুঁয়ে দেখ।"
আমি আর সহ্য করতে পারলাম না। দিদিকে জড়িয়ে ধরলাম, তার ঠোঁটে আমার ঠোঁট চেপে ধরলাম। দিদি উমম করে উঠল, তার জিভ আমার জিভে মিশে গেল। আমি তার নাইটি খুলে ফেললাম, তার নগ্ন শরীর আমার সামনে – বড় বড় স্তন, গোলাপী নিপলস, সরু কোমর, আর তার যোনির উপর হালকা চুল। দিদি বলল, "অভি, চোষ আমার বুক। অনেকদিন কেউ চোষেনি।" আমি তার একটা স্তন মুখে নিলাম, চুষতে লাগলাম জোরে জোরে। দিদি আহ আহ করে উঠল, তার হাত আমার প্যান্ট খুলে আমার লিঙ্গ ধরল। "ওহ গড, কত মোটা আর লম্বা! সৌরভের অর্ধেকও না।" সে আমার লিঙ্গ চুষতে শুরু করল, তার জিভ ঘুরছে টিপে। আমি পাগল হয়ে গেলাম, তার মুখে ঠাপ দিতে লাগলাম।
দিদি আমাকে বিছানায় ঠেলে দিল, তার যোনি আমার লিঙ্গের উপর বসিয়ে দিল। "ফাক মি, ভাই! জোরে জোরে চোদ।" সে উপর-নিচ করে উঠল, তার স্তন লাফাচ্ছে। আমি তার পাছা চেপে ধরে ঠাপ দিতে লাগলাম। ঘরে শুধু থপ থপ শব্দ আর দিদির উহ আহ। "আরও জোরে, অভি! আমার ভিতরে ভরে দে।" দিদির শরীর কাঁপল, সে কাম করে ফেলল, তার রস আমার লিঙ্গ ভিজিয়ে দিল। আমিও তার ভিতরে আমার গরম রস ঢেলে দিলাম। আমরা দু'জন হাঁপাতে হাঁপাতে শুয়ে রইলাম। দিদি বলল, "এটা আমাদের সিক্রেট। কিন্তু আরও চাই।"
পরের দিন সকালে শ্রাবন্তী আমাকে রান্নাঘরে একা পেয়ে বলল, "অভি, কাল রাতে তোদের আওয়াজ শুনেছি। মিতা তোর সাথে... ওহ, কী হট!" আমি চমকে উঠলাম। শ্রাবন্তী হাসল, "চিন্তা করিস না। আমি বলব না। কিন্তু আমাকেও একটু মজা দে। আমি তো একা, বয়ফ্রেন্ড নেই।" সে তার হাত আমার কোমরে রাখল। শ্রাবন্তী পরে আছে একটা টাইট টি-শার্ট আর শর্টস, তার স্তনের আকার স্পষ্ট। আমি তাকে দেওয়ালে ঠেসে ধরলাম, চুমু খেতে শুরু করলাম। "শ্রাবন্তী, তুমি তো ফায়ার!" আমি তার টি-শার্ট খুলে তার স্তন চোষতে লাগলাম। সে আহ করে উঠল, "চোষ জোরে, কামড়া দে।" তার হাত আমার প্যান্টে ঢুকল, আমার লিঙ্গ শক্ত করে তুলল।
হঠাৎ দিদি ঢুকল। আমরা থেমে গেলাম, কিন্তু দিদি হাসল। "শ্রাবন্তী, তুইও? ভালোই। চল, তিনজনে মিলে মজা করি।" দিদি আমাদের নিয়ে তার ঘরে গেল। সেখানে আমরা তিনজন নগ্ন হয়ে গেলাম। দিদি শ্রাবন্তীকে চুমু খেল, তার যোনিতে আঙ্গুল ঢোকাল। শ্রাবন্তী বলল, "মিতা, তুইও চোষ আমার।" আমি পিছন থেকে দিদির যোনিতে লিঙ্গ ঢোকালাম। তিনজনের মিলন – আমি দিদিকে চুদছি, দিদি শ্রাবন্তীকে চাটছে, শ্রাবন্তী আমার লিঙ্গ ধরে টানছে। ঘরে আহ উহের শব্দ। "অভি, আমাদের দু'জনকেই চোদ।" শ্রাবন্তী বলল। আমি তাকে শুইয়ে তার যোনিতে ঢোকালাম, জোরে ঠাপ দিতে লাগলাম। দিদি তার স্তন চোষছে। শ্রাবন্তী চিৎকার করল, "ফাস্টার, আমি কাম করব!" সে কাঁপল, তার রস বেরোল। আমি দিদির মুখে আমার রস ঢেলে দিলাম।
কয়েকদিন এভাবে চলল। একদিন বিকেলে আমরা গার্ডেনে গেলাম। সেখানে শ্রাবন্তী বলল, "চল, একটা নতুন গেম খেলি।" সে আমাকে একটা ঝোপের পিছনে নিয়ে গেল, তার শর্টস খুলে দাঁড়াল। "চোদ আমাকে এখানে, রিস্ক নিয়ে।" আমি তার যোনিতে লিঙ্গ ঢোকালাম, জোরে ঠাপ দিতে লাগলাম। দিদি দেখছে, তার হাত তার যোনিতে। হঠাৎ বৃষ্টি এলো, আমরা ভিজে গেলাম। বাড়ি ফিরে আমরা তিনজন শাওয়ারে ঢুকলাম। সেখানে সাবান মাখিয়ে একে অপরকে ছুঁয়ে দিলাম। আমি দিদিকে দেওয়ালে ঠেসে চুদলাম, শ্রাবন্তী পিছন থেকে আমার বলস চোষছে। "আহ, অভি, তোর লিঙ্গ তো ম্যাজিক!" দিদি বলল। আমরা সবাই কাম করলাম, জলের সাথে রস মিশে গেল।
শেষ দিন দিদি বলল, "অভি, এটা আমাদের গোপন। কিন্তু যখন চাইব, আসব। শ্রাবন্তীও আসবে।" শ্রাবন্তী হাসল, "হ্যাঁ, তোর সাথে আরও মজা করব।" তারা চলে গেল, কিন্তু আমার মনে তাদের গরম স্মৃতি রয়ে গেল। এখন আমি অপেক্ষা করি পরের ছুটির।
### বিবাহিত বোনের লুকানো আগুন - পরবর্তী অংশ
দিদি আর শ্রাবন্তী চলে যাওয়ার পর আমার জীবনটা যেন থমকে গেল। প্রতিদিন কলেজে যাই, কিন্তু মনটা পড়ে থাকে সেই গরম স্মৃতিতে। দিদির নগ্ন শরীর, তার উহ আহের শব্দ, শ্রাবন্তীর দুষ্টু হাসি – সব মিলিয়ে রাতে ঘুম আসে না। আমি হাত মারি, কিন্তু সেই সুখ পাই না। দিদি ফোন করে মাঝে মাঝে, কিন্তু তার কথায় একটা লুকানো আকর্ষণ থাকে। "অভি, কেমন আছিস? আমি তো তোকে মিস করছি। সৌরভ তো আবার ট্যুরে গেছে।" তার কথা শুনে আমার লিঙ্গ শক্ত হয়ে যায়। আমি বলি, "দিদি, তুমি কবে আসবে? আমি অপেক্ষা করছি।" সে হাসে, "শীঘ্রই, আর শ্রাবন্তীও আসবে।"
কয়েক সপ্তাহ পর একটা ফোন এলো। দিদি বলল, "অভি, আমি আর শ্রাবন্তী আসছি। এবার একটা সারপ্রাইজ আছে। আমাদের সাথে আরেকটা মেয়ে আসবে, নাম প্রিয়াঙ্কা। ও আমাদের অফিসের জুনিয়র, খুব হট। তোর পছন্দ হবে। বাবা-মা তো গ্রামে গেছে, তাই বাড়ি খালি।" আমার হার্ট রেসিং শুরু হয়ে গেল। প্রিয়াঙ্কা? নতুন মেয়ে? আমি ভাবলাম, এবার তো পার্টি হবে!
পরের দিন তারা এলো। দিদি পরে আছে একটা লাল সাড়ি, যা তার ফিগারকে আরও সেক্সি করে তুলেছে। শ্রাবন্তী একটা কালো ড্রেসে, তার পা লম্বা লম্বা দেখাচ্ছে। আর প্রিয়াঙ্কা – ওহ গড, কী সুন্দর! ফর্সা গায়ের রং, বড় চোখ, লম্বা চুল, আর তার ফিগার ৩৬-২৮-৩৬ মনে হচ্ছে। সে পরে আছে একটা টাইট জিন্স আর টপ, তার স্তনের ক্লিভেজ দেখা যাচ্ছে। দিদি বলল, "অভি, এটা প্রিয়াঙ্কা। ওকে বলেছি তোর কথা। ও খুব এক্সাইটেড।" প্রিয়াঙ্কা আমাকে দেখে হাসল, "হাই অভি, রিয়া দিদি তো তোমার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। শুনেছি তুমি খুব ট্যালেন্টেড।" তার চোখে একটা দুষ্টু ইঙ্গিত।
সন্ধ্যায় আমরা সবাই লিভিং রুমে বসলাম। দিদি ওয়াইন নিয়ে এলো। "চল, একটু মজা করি।" আমরা ড্রিঙ্ক করতে শুরু করলাম। কথা চলছে, কিন্তু বাতাসে একটা গরম ভাইব। শ্রাবন্তী বলল, "অভি, কাল তোদের সাথে যা হয়েছে, প্রিয়াঙ্কাকে বলেছি। ও বলল, আমিও জয়েন করব।" প্রিয়াঙ্কা লজ্জায় লাল হয়ে গেল, কিন্তু হাসল। "হ্যাঁ, আমি সিঙ্গেল, চাই একটু অ্যাডভেঞ্চার।" দিদি আমার কাছে এসে বসল, তার হাত আমার থাইয়ে। "অভি, তুই তো আমাদের কিং। আজ তোকে তিনজন মিলে সার্ভ করব।"
ওয়াইনের নেশায় সবাই খোলামেলা হয়ে গেল। দিদি উঠে দাঁড়াল, তার সাড়ি খুলতে শুরু করল। "চল, স্ট্রিপ গেম খেলি।" আমরা সবাই হাসলাম। প্রথমে শ্রাবন্তী তার ড্রেস খুলল, তার নীচে লাল ব্রা আর প্যান্টি। তার স্তন বড় বড়, নিপলস শক্ত। প্রিয়াঙ্কা তার টপ খুলল, তার স্তন সাদা ব্রায় ঢাকা, কিন্তু স্পষ্ট। আমি আমার শার্ট খুললাম। দিদি তার সাড়ি খুলে ফেলল, তার পেটিকোট আর ব্লাউজে দাঁড়িয়ে। "অভি, এসো আমাকে খোল।" আমি তার ব্লাউজের হুক খুললাম, তার স্তন বেরিয়ে এলো – বড়, গোল, নিপলস গোলাপী। আমি তাকে চুমু খেলাম, তার স্তন চোষতে লাগলাম। দিদি আহ করে উঠল, "চোষ জোরে, ভাই! অনেকদিন পর।"
শ্রাবন্তী আর প্রিয়াঙ্কা আমাদের দেখছে। শ্রাবন্তী বলল, "প্রিয়া, চল আমরাও জয়েন করি।" তারা দু'জন নগ্ন হয়ে গেল। শ্রাবন্তীর যোনি শেভড, প্রিয়াঙ্কার হালকা চুল। তারা আমার প্যান্ট খুলল, আমার লিঙ্গ বেরিয়ে এলো – লম্বা, মোটা, শক্ত। প্রিয়াঙ্কা অবাক, "ওহ মাই গড, এত বড়! আমি তো ভয় পাচ্ছি।" শ্রাবন্তী হাসল, "চিন্তা করিস না, মজা পাবি।" তারা দু'জন মিলে আমার লিঙ্গ চুষতে শুরু করল। শ্রাবন্তী টিপ চোষছে, প্রিয়াঙ্কা বলস চাটছে। আমি দিদির যোনিতে আঙ্গুল ঢোকালাম, সে ভিজে গেছে। "আহ, অভি, চোদ আমাকে প্রথমে।"
আমি দিদিকে সোফায় শুইয়ে দিলাম, তার পা ফাঁক করে আমার লিঙ্গ ঢোকালাম। দিদি চিৎকার করল, "আহ, জোরে! ফাক মি হার্ড!" আমি ঠাপ দিতে লাগলাম, থপ থপ শব্দ। শ্রাবন্তী দিদির স্তন চোষছে, প্রিয়াঙ্কা আমার পিছনে এসে আমার পাছা চাটছে। দিদির শরীর কাঁপল, "আমি কাম করছি!" তার রস বেরোল, আমার লিঙ্গ ভিজে গেল। আমি বের করে প্রিয়াঙ্কার দিকে তাকালাম। "তোর টার্ন।" প্রিয়াঙ্কা বিছানায় হাঁটু গেড়ে বসল, "আস্তে করো, অভি।" আমি তার যোনিতে ঢোকালাম, টাইট লাগল। সে উহ করে উঠল, "আহ, বড়! কিন্তু ভালো লাগছে।" আমি জোরে ঠাপ দিতে লাগলাম, তার পাছা লাল হয়ে গেল। শ্রাবন্তী তার মুখে তার যোনি চেপে ধরল, "চাট আমার, প্রিয়া।" প্রিয়াঙ্কা চাটতে লাগল।
এভাবে আমরা ঘণ্টাখানেক চললাম। আমি শ্রাবন্তীকে চুদলাম ডগি স্টাইলে, তার চুল ধরে টেনে। সে চিৎকার করল, "হার্ডার, অভি! তোর লিঙ্গ তো আগুন!" দিদি প্রিয়াঙ্কার যোনি চাটছে। অবশেষে আমি কাম করলাম, আমার রস শ্রাবন্তীর মুখে ঢেলে দিলাম। তারা তিনজন মিলে চেটে খেল। আমরা হাঁপাতে হাঁপাতে শুয়ে রইলাম।
পরের দিন সকালে আমরা উঠলাম। দিদি বলল, "অভি, আজ একটা নতুন প্ল্যান। চল, বাইরে যাই।" আমরা একটা কাছের রিসর্টে গেলাম। সেখানে একটা প্রাইভেট পুল। আমরা সুইমিং কস্টিউম পরে ঢুকলাম। দিদির বিকিনি টাইট, তার স্তন অর্ধেক বেরিয়ে। শ্রাবন্তী আর প্রিয়াঙ্কা একই। পুলে ঢুকে আমরা খেলা শুরু করলাম। হঠাৎ দিদি আমার কাছে এসে তার হাত আমার সুইমিং ট্রাঙ্কের ভিতর ঢোকাল। "অভি, এখানে চোদ।" আমি অবাক, কিন্তু উত্তেজিত। জলের ভিতর আমি তার বিকিনি সরিয়ে লিঙ্গ ঢোকালাম। দিদি আহ করে উঠল, কিন্তু চুপ করে রইল। শ্রাবন্তী আর প্রিয়াঙ্কা দেখছে, তারা দু'জন মিলে চুমু খাচ্ছে। আমি দিদিকে জোরে ঠাপ দিতে লাগলাম, জল ছলকে উঠছে। "আহ, অভি, জলের ভিতর মজা বেশি!" দিদি কাম করল, তার রস জলে মিশে গেল।
তারপর আমি প্রিয়াঙ্কাকে তুলে নিলাম, তার পা আমার কোমরে জড়িয়ে। "চোদ আমাকে, অভি।" আমি তার যোনিতে ঢোকালাম, জলের ভিতর ঠাপ। সে চিৎকার করল, "ফাস্টার!" শ্রাবন্তী পিছন থেকে আমার বলস মালিশ করছে। আমরা সবাই কাম করলাম। রিসর্ট থেকে ফিরে বাড়িতে আরও এক রাউন্ড। এবার বেডরুমে। দিদি বলল, "অভি, আজ অ্যানাল ট্রাই করি।" আমি অবাক, কিন্তু সম্মত। আমি তার পাছায় লুব লাগিয়ে ঢোকালাম। দিদি ব্যথায় উহ করল, কিন্তু বলল, "চালিয়ে যা।" আমি ঠাপ দিতে লাগলাম। শ্রাবন্তী আর প্রিয়াঙ্কা ৬৯ পজিশনে একে অপরকে চাটছে। "আহ, অভি, তোর লিঙ্গ তো সব জায়গায় ফিট!" দিদি চিৎকার করল। আমি তার পাছায় রস ঢেলে দিলাম।
কয়েকদিন এভাবে কাটল। প্রিয়াঙ্কা বলল, "অভি, তুমি তো আমাদের অ্যাডিক্ট করে দিয়েছ। আমি তো তোমার সাথে থাকতে চাই।" দিদি হাসল, "সবাই মিলে একটা গ্রুপ বানাই।" তারা চলে গেল, কিন্তু প্রতিশ্রুতি দিল শীঘ্রই আসবে। আমি এখন অপেক্ষা করি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের। জীবনটা এখন গরম হয়ে উঠেছে।
### বিবাহিত বোনের লুকানো আগুন - আরও পরবর্তী অংশ
প্রিয়াঙ্কা, শ্রাবন্তী আর দিদি চলে যাওয়ার পর আমার জীবনটা যেন একটা শূন্য গর্ত হয়ে গেল। প্রতিদিন কলেজে যাই, বন্ধুদের সাথে গল্প করি, কিন্তু মনটা পড়ে থাকে সেই গরম রাতের স্মৃতিতে। দিদির ভোদার টাইটনেস, শ্রাবন্তীর পোঁদের লাফানো, প্রিয়াঙ্কার চোষার স্টাইল – সব মিলিয়ে রাতে ল্যাওড়া খাড়া হয়ে যায়। আমি হাত মারি, কিন্তু সেই সুখ পাই না। "শালা, এত হট মাগীদের চুদে এখন একা হাত মারতে হচ্ছে," নিজেকে গালি দিয়ে বলি। দিদি ফোন করে, তার গলায় সেই দুষ্টু টোন। "অভি, কী করছিস? তোর ল্যাওড়া মিস করছি। সৌরভ তো শালা কোনো কাজের না, তার বাড়া তো তোর অর্ধেকও না।" আমি হাসি, "দিদি, তুমি কবে আসবে? আমার ল্যাওড়া তো তোমাদের ভোদায় ঢোকার জন্য পাগল হয়ে উঠেছে।" সে বলে, "শীঘ্রই, আর এবার একটা নতুন মাল নিয়ে আসব। নাম অনন্যা, আমাদের নতুন নেইবার। ও তো একটা খানকি মাগী, তার স্বামী মরে গেছে, এখন চোদার জন্য পাগল। তোর পছন্দ হবে, শালা।"
কয়েকদিন পর একটা সন্ধ্যায় দরজায় বেল বাজল। খুলে দেখি দিদি, শ্রাবন্তী, প্রিয়াঙ্কা আর একটা নতুন মেয়ে – অনন্যা। অনন্যা তো একটা বোম্বশেল! গায়ের রং দুধের মতো ফর্সা, চুল লম্বা কালো, স্তন ৩৮ সাইজের, পোঁদ বড় বড়, পরে আছে একটা ট্রান্সপারেন্ট নাইটি যা তার নিপলস দেখাচ্ছে। দিদি বলল, "অভি, এটা অনন্যা। ওকে বলেছি তোর ল্যাওড়ার কথা। ও বলল, 'শালা, আমাকে চুদে আমার ভোদা ফাটিয়ে দে।'" অনন্যা আমাকে দেখে হাসল, তার চোখে কামুকতা। "হ্যাঁ অভি, তোমার দিদি বলল তুমি একটা চোদনবাজ। আমার স্বামী মরার পর আমি তো চোদার জন্য তৃষ্ণার্ত। চল, দেখি তোমার ল্যাওড়া কত বড়।" আমি হাসলাম, "শালী, আয় ভিতরে। আজ তো তোদের সবাইকে চুদে খাল করে দেব।"
আমরা লিভিং রুমে বসলাম। দিদি বিয়ার নিয়ে এলো। "চল, শুরু করি।" আমরা ড্রিঙ্ক করতে শুরু করলাম। নেশা চড়তে শুরু করল। শ্রাবন্তী বলল, "অভি, তোর ল্যাওড়া দেখা। আমি তো মিস করছি, শালা।" সে আমার প্যান্ট খুলে ল্যাওড়া বের করল। "ওহ ফাক, এত শক্ত! অনন্যা, চোষ এটাকে।" অনন্যা হাঁটু গেড়ে বসল, তার মুখে আমার ল্যাওড়া নিল। "আহ, কী মোটা রে শালা! তোর ল্যাওড়া তো আমার গলায় ঢুকছে।" সে চুষতে লাগল জোরে জোরে, তার জিভ ঘুরছে। প্রিয়াঙ্কা বলল, "আমাকেও দে, খানকি।" তারা দু'জন মিলে চুষছে, দিদি আমার বলস চাটছে। "অভি, তোর বলস তো রসে ভরা। আজ তোদের সবাইকে চুদবি, শালা চোদনখোর।"
আমি উঠে দাঁড়ালাম। "চল, বেডরুমে যাই।" আমরা সবাই নগ্ন হয়ে গেলাম। অনন্যার শরীর দেখে আমার ল্যাওড়া আরও শক্ত। তার ভোদা শেভড, স্তন বড় বড়, নিপলস কালো। "শালী, তোর স্তন তো চোষার মতো।" আমি তার একটা স্তন মুখে নিলাম, কামড়ালাম জোরে। অনন্যা চিৎকার করল, "আহ, শালা, কামড়া দে জোরে! আমার ভোদা ভিজে গেছে।" দিদি তার ভোদায় আঙ্গুল ঢোকাল, "ওহ, কী ভিজা রে খানকি! অভি, চোদ এটাকে প্রথমে।" আমি অনন্যাকে বিছানায় শুইয়ে দিলাম, তার পা ফাঁক করে ল্যাওড়া ঢোকালাম। "আহ ফাক, কী টাইট রে তোর ভোদা! শালী, তোর স্বামী তো তোকে চুদত না নাকি?" অনন্যা বলল, "না শালা, সে তো ছোট ল্যাওড়ার মালিক। তুই চোদ জোরে, ফাটিয়ে দে আমার ভোদা!" আমি ঠাপ দিতে লাগলাম থপ থপ করে। তার স্তন লাফাচ্ছে, আমি চেপে ধরলাম। শ্রাবন্তী তার মুখে তার ভোদা চেপে ধরল, "চাট আমার ভোদা, মাগী!" অনন্যা চাটতে লাগল। প্রিয়াঙ্কা আমার পোঁদে আঙ্গুল ঢোকাল, "অভি, তোর পোঁদ তো টাইট।"
আমি অনন্যাকে চুদতে চুদতে তার ভিতরে রস ঢেলে দিলাম। "আহ, শালা, তোর রস তো গরম!" অনন্যা কাম করে ফেলল, তার শরীর কাঁপল। এবার শ্রাবন্তীর টার্ন। "অভি, আমাকে ডগি স্টাইলে চোদ।" সে হাঁটু গেড়ে বসল, তার পোঁদ উঁচু। আমি পিছন থেকে ল্যাওড়া ঢোকালাম তার ভোদায়। "আহ ফাক, জোরে ঠাপ দে শালা! তোর ল্যাওড়া তো আমার গুদ ফাটিয়ে দিচ্ছে।" আমি তার চুল ধরে টেনে ঠাপ দিতে লাগলাম। দিদি তার নীচে শুয়ে তার স্তন চোষছে। প্রিয়াঙ্কা অনন্যার সাথে চুমু খাচ্ছে। "শ্রাবন্তী, তোর গুদ তো রসে ভরা, খানকি মাগী!" শ্রাবন্তী চিৎকার করল, "হার্ডার, অভি! আমি কাম করব!" সে কাঁপল, তার রস বেরোল। আমি বের করে প্রিয়াঙ্কার মুখে ঢেলে দিলাম। "চোষ, মাগী! আমার রস খা।"
পরের দিন সকালে আমরা উঠলাম। অনন্যা বলল, "অভি, আজ তোর সাথে বাইরে যাব। একটা পার্কে চোদাবি আমাকে।" আমরা একটা কাছের পার্কে গেলাম, যেখানে লোক কম। একটা ঝোপের পিছনে গিয়ে অনন্যা তার স্কার্ট উঠাল। "চোদ আমাকে এখানে, শালা। রিস্ক নিয়ে মজা বেশি।" আমি তার প্যান্টি সরিয়ে ল্যাওড়া ঢোকালাম। "আহ, কী গরম তোর গুদ! লোক দেখলে কী হবে, খানকি?" সে বলল, "দেখুক, শালারা। তুই চোদ জোরে!" আমি ঠাপ দিতে লাগলাম, তার মুখ চেপে ধরলাম যাতে চিৎকার না করে। দিদি, শ্রাবন্তী আর প্রিয়াঙ্কা দেখছে, তারা হাত মারছে। "অভি, তোর ল্যাওড়া তো অসাধারণ!" দিদি বলল। অনন্যা কাম করল, তার রস আমার ল্যাওড়া ভিজিয়ে দিল। আমি তার ভিতরে ঢেলে দিলাম।
বাড়ি ফিরে আমরা শাওয়ারে ঢুকলাম। সেখানে সবাই মিলে। দিদি আমার ল্যাওড়া চুষছে, শ্রাবন্তী আমার বলস চাটছে, প্রিয়াঙ্কা আমার পোঁদে আঙ্গুল ঢোকাচ্ছে, অনন্যা আমার নিপলস কামড়াচ্ছে। "আহ, তোরা সবাই খানকি মাগী! তোদের চুদে আমার ল্যাওড়া ব্যথা হয়ে গেছে।" দিদি বলল, "চোদ শালা, আমরা তো তোর দাসী।" আমি দিদিকে দেওয়ালে ঠেসে ধরে চুদলাম। "আহ, জোরে! তোর ল্যাওড়া তো আমার গুদের রাজা।" জলের সাথে রস মিশে গেল।
কয়েকদিন এভাবে চলল। একদিন অনন্যা বলল, "অভি, আজ অ্যানাল করি।" আমি লুব লাগিয়ে তার পোঁদে ঢোকালাম। "আহ ফাক, ব্যথা লাগছে শালা! কিন্তু চালিয়ে যা।" আমি ঠাপ দিতে লাগলাম। "তোর পোঁদ তো টাইট, খানকি!" সে চিৎকার করল, "জোরে, ফাটিয়ে দে!" অন্যরা দেখছে, তারা একে অপরকে চাটছে। অবশেষে আমি তার পোঁদে রস ঢেলে দিলাম।
শেষ দিন দিদি বলল, "অভি, আমরা চলে যাব। কিন্তু পরের মাসে আসব, আরও নতুন মাগী নিয়ে। তোর ল্যাওড়া তো আমাদের আসক্ত করে দিয়েছে, শালা চোদনবাজ।" তারা চলে গেল, কিন্তু আমার মনে তাদের গালাগালি আর চোদার স্মৃতি রয়ে গেল। এখন অপেক্ষা করি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের, যেখানে আরও গালাগালি আর চোদাচুদি হবে।