কলেজের শেষ দিনের সারপ্রাইজ 😍
কলেজের শেষ দিনের পরের উত্তাপ
কলেজ শেষ হওয়ার পর সোনালীর জীবনটা যেন একটা নতুন মোড় নিলো। সকাল সকাল উঠে মিররের সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখে সে হাসে। তার ফর্সা শরীরটা এখনও সেই দিনের স্মৃতিতে কাঁপে। রাহুল স্যারের মেসেজ এসেছে: "আজ রাতে মিলবো? তোমরা তিনজনই আসবে। আমার ফ্ল্যাটে।" সোনালী খুশিতে লাফিয়ে উঠলো। মিয়া আর নিয়াকে গ্রুপ চ্যাটে মেসেজ করলো: "রেডি হয়ে নে রে, স্যারের কল এসেছে। আজ রাতে ফুল মজা।" মিয়া রিপ্লাই দিলো: "ওয়াও, আমি তো সকাল থেকেই ভেজা। কী পরবো? সেই লাল লেঞ্জারি?" নিয়া লিখলো: "হ্যাঁ, আমি আমার ব্ল্যাক স্টকিংস নেবো। স্যারকে পাগল করে দেবো।"
সন্ধ্যা হতেই তিনজন মেয়ে রাহুল স্যারের ফ্ল্যাটে পৌঁছালো। ফ্ল্যাটটা শহরের একটা হাইরাইজ বিল্ডিংয়ে, প্রাইভেট আর লাক্সারিয়াস। দরজা খুলতেই স্যার দাঁড়িয়ে আছেন, শার্টের বোতাম খোলা, তার চওড়া বুকটা দেখা যাচ্ছে। "আসো মেয়েরা, আজ তোমাদের জন্য স্পেশাল অ্যারেঞ্জমেন্ট করেছি।" সোনালী প্রথমে ঢুকলো, তার পরনে একটা শর্ট ড্রেস, যা তার লম্বা পা আর কার্ভি ফিগারকে হাইলাইট করছে। মিয়া পেছনে, তার পিঙ্ক লেঞ্জারি ওপরে একটা কোট, আর নিয়া তার স্কার্টটা এতো ছোট যে তার নিতম্বের নিচের অংশটা প্রায় দেখা যাচ্ছে। স্যার তাদের লিভিং রুমে নিয়ে গেলেন, সেখানে ডিম লাইট, সোফায় কুশন, আর টেবিলে ওয়াইনের বোতল। "প্রথমে একটু ড্রিঙ্ক করে মুড সেট করি," স্যার বললেন।
তিনজন মেয়ে সোফায় বসলো, স্যার ওয়াইন ঢাললেন। সোনালী গ্লাস নিয়ে চুমুক দিলো, তার চোখ স্যারের দিকে। "স্যার, কলেজের পরও আপনাকে মিস করি না কেন?" সোনালী লজ্জা মিশিয়ে বললো। স্যার হাসলেন, "কারণ তোমরা আমার অ্যাডিকশন। আজ তোমাদের নতুন কিছু শেখাবো।" মিয়া গ্লাস রেখে স্যারের কাছে এসে তার ঘাড়ে চুমু খেলো। "কী শেখাবেন স্যার? আমরা তো রেডি।" নিয়া হাসতে হাসতে তার স্কার্ট তুলে দেখালো, তার প্যান্টি নেই। "দেখুন স্যার, আমি তো প্রিপেয়ার্ড।" স্যারের চোখ জ্বলে উঠলো। তিনি নিয়াকে কোলে তুলে নিলেন, তার নিতম্ব চেপে ধরলেন। "তুমি তো খুব বোল্ড, নিয়া। আজ তোমাকে প্রথমে পানিশ করবো।"
স্যার নিয়াকে বেডরুমে নিয়ে গেলেন, বাকিরা পেছন পেছন। বেডরুমটা বড়, কিং সাইজ বেড, মিরর সিলিং, আর কিছু টয়স টেবিলে রাখা। স্যার নিয়াকে বেডে ফেলে দিলেন, তার হাত দুটো বেঁধে দিলেন একটা সিল্ক স্কার্ফ দিয়ে। "আহ স্যার, এটা কী?" নিয়া গোঙাতে লাগলো। স্যার তার স্কার্ট খুলে ফেললেন, তার ফর্সা যোনিটা দেখা গেলো, ইতিমধ্যে ভেজা। স্যার একটা ভাইব্রেটর নিলেন, তাতে সুইচ অন করলেন। "এটা তোমার পানিশমেন্ট।" ভাইব্রেটরটা নিয়ার যোনির ওপর রাখলেন, নিয়া কাঁপতে লাগলো। "উফ... স্যার... এটা... আহ... থামান না..." তার শরীরটা লাফাচ্ছে, তার স্তন দুলছে। সোনালী আর মিয়া দেখছে, তাদেরও শরীর গরম হয়ে উঠছে। মিয়া সোনালীর কাছে এসে তার ড্রেসের জিপ খুলে দিলো। "তুইও রেডি হয়ে নে রে," মিয়া বললো। সোনালী তার ড্রেস খুলে ফেললো, তার লাল ব্রা আর প্যান্টি দেখা গেলো। মিয়া তার ব্রা খুলে তার স্তন চুষতে শুরু করলো। "আহ মিয়া... তুই কী করছিস..." সোনালী গোঙাচ্ছে, তার নিপল শক্ত হয়ে গেছে।
স্যার নিয়ার যোনিতে ভাইব্রেটর ঢোকালেন, নিয়া চিৎকার করে উঠলো। "আহ... স্যার... গভীরে... উফ... আমি... কামিং..." নিয়ার শরীর কাঁপতে কাঁপতে ক্লাইম্যাক্সে পুঁছে গেলো, তার যোনি থেকে রস বেরিয়ে গেলো, বেডশিট ভিজে গেলো। স্যার হাসলেন, "গুড গার্ল। এবার তোমাদের টার্ন।" তিনি সোনালীকে ডাকলেন। সোনালী কাছে গেলো, স্যার তার প্যান্টি খুলে ফেললেন। তার যোনিটা দেখে বললেন, "কী সুন্দর, সোনালী। আজ তোমাকে আমার লিঙ্গ দিয়ে ফিল করবো।" স্যার তার প্যান্ট খুললেন, তার লম্বা মোটা লিঙ্গটা বেরিয়ে এলো, ইতিমধ্যে শক্ত। সোনালী হাঁটু গেড়ে বসলো, তাতে জিভ বোলাতে শুরু করলো। "উম্ম... স্যার... তোমারটা কী টেস্টি..." সোনালী চুষছে, তার মুখ ভরে গেছে। মিয়া পেছন থেকে সোনালীর যোনিতে আঙ্গুল দিলো। "আহ... মিয়া... আরও..." সোনালী গোঙাচ্ছে। নিয়া উঠে এসে স্যারের বলস চুষতে শুরু করলো।
স্যার সোনালীকে বেডে শুইয়ে দিলেন, তার পা ফাঁক করে তার যোনিতে লিঙ্গ ঢোকালেন। "উফ... স্যার... ধীরে... তোমারটা এতো বড়..." সোনালী কাঁপছে, তার যোনি প্রসারিত হচ্ছে। স্যার জোরে জোরে ঠাপাতে শুরু করলেন, প্রত্যেক ঠাপে সোনালীর শরীর দুলছে। "আহ... আহ... স্যার... ফাস্টার... ফাক মি হার্ড..." সোনালী চিৎকার করছে। মিয়া সোনালীর মুখে তার যোনি রাখলো, "চোষ আমারটা, সোনালী।" সোনালী জিভ দিয়ে মিয়ার যোনি চাটতে লাগলো, মিয়া গোঙাচ্ছে। নিয়া স্যারের পেছনে গিয়ে তার নিতম্বে জিভ দিলো, স্যারের ঠাপ আরও জোরালো হলো। "উফ... নিয়া... তুমি তো পাগল..." স্যার বললেন। সোনালী ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছে গেলো, তার যোনি স্যারের লিঙ্গকে চেপে ধরলো, রস বেরিয়ে গেলো। "আহ... স্যার... আমি এসে গেলাম..."
স্যার এবার মিয়াকে নিলেন। মিয়াকে ডগি স্টাইলে দাঁড় করালেন, পেছন থেকে ঢোকালেন। মিয়ার স্লিম কোমর ধরে জোরে ঠাপ। "আহ... স্যার... গভীরে... তোমার লিঙ্গটা আমার ভিতরে পুরো... উফ..." মিয়া তার নিতম্ব পেছনে ঠেলছে, প্রত্যেক ঠাপে তার বুক দুলছে। নিয়া মিয়ার নিচে শুয়ে তার স্তন চুষছে, সোনালী মিয়ার মুখে চুমু খাচ্ছে। "মিয়া... তুই কী হট..." সোনালী বললো। স্যারের ঠাপ এতো জোর যে মিয়া কাঁপতে লাগলো। "স্যার... আমি... কামিং... আহ..." মিয়ার ক্লাইম্যাক্স হলো, তার যোনি থেকে রস ঝরছে। স্যার থামেনি, তিনি নিয়াকে আবার নিলেন। নিয়াকে ওপরে তুলে, তিনি নিচে শুয়ে, নিয়া তার লিঙ্গের ওপর লাফাতে শুরু করলো। "উফ... স্যার... তোমারটা আমার ভিতরে... গভীরে... আহ..." নিয়ার বুক লাফাচ্ছে, তার নিতম্ব দুলছে। সোনালী আর মিয়া একে অপরকে ফিঙ্গারিং করছে, তাদের গোঙানি রুম ভরে দিয়েছে।
রাত গভীর হচ্ছে, কিন্তু তাদের উত্তাপ কমছে না। স্যার একটা অয়েল বোতল নিলেন, সবার শরীরে মালিশ করতে শুরু করলেন। "এবার অ্যানাল ট্রাই করবো?" স্যার বললেন। সোনালী লজ্জায় লাল হয়ে গেলো, "স্যার... আমি কখনো করিনি..." কিন্তু মিয়া হাসলো, "আমি করবো প্রথমে।" স্যার মিয়াকে পেছন থেকে নিলেন, প্রথমে আঙ্গুল দিয়ে তার অ্যানাল প্রিপেয়ার করলেন, অয়েল মাখিয়ে। তারপর ধীরে ধীরে লিঙ্গ ঢোকালেন। "আহ... স্যার... পেইন... কিন্তু গুড... ধীরে..." মিয়া গোঙাচ্ছে। স্যার ঠাপাতে শুরু করলেন, মিয়ার চিৎকার রুমে। নিয়া মিয়ার যোনিতে ভাইব্রেটর দিলো, সোনালী তার স্তন চুষছে। মিয়া দু'দিক থেকে স্টিমুলেশন পেয়ে পাগল হয়ে গেলো। "আহ... স্যার... ফাস্টার... আমি কামিং আগেইন..."
এভাবে রাত কেটে গেলো। সকাল হয়ে গেলো, সবাই ক্লান্ত কিন্তু স্যাটিসফাইড। স্যার বললেন, "এটা তো শুরু। প্রতি উইকেন্ডে মিলবো। নতুন নতুন অ্যাডভেঞ্চার।" সোনালী হাসলো, "হ্যাঁ স্যার, আমরা তোমার।" তিনজন মেয়ে চুমু খেয়ে বিদায় নিলো। বাইরে বেরিয়ে মিয়া বললো, "পরের বার আরও হট হবে।" নিয়া হাসলো, "নিশ্চয়।" সোনালী ভাবছে, কলেজ শেষ হলো, কিন্তু এই গোপন জীবনটা যেন একটা নতুন কলেজ – পুরো উত্তাপে ভরা।
কলেজের উত্তাপের নতুন অধ্যায়
পরের উইকেন্ড এসে গেলো। সোনালীর মনটা সকাল থেকেই উত্তেজিত। স্যারের মেসেজ এসেছে: "আজ রাতে আমার ফ্ল্যাটে। কিন্তু এবার একটা সারপ্রাইজ আছে। তোমরা তিনজনই আসবে, আর নতুন কিছু ট্রাই করবো।" সোনালী মিয়া আর নিয়াকে কল করলো: "রে, স্যার বলেছেন সারপ্রাইজ। আমি তো ভয় পেয়ে গেছি, কিন্তু উত্তেজনায় শরীর গরম হয়ে গেছে।" মিয়া হাসতে হাসতে বললো, "ভয় কীসের? স্যারের সারপ্রাইজ মানে তো আরও হট মজা। আমি আমার নতুন ভাইব্রেটর নেবো।" নিয়া বললো, "আমি তো রেডি। আজ আমার ফ্যান্টাসি পূরণ করবো – স্যারের সাথে রাফ সেক্স।"
রাত আটটায় তিনজন ফ্ল্যাটে পৌঁছালো। দরজা খুলতেই স্যার দাঁড়িয়ে আছেন, কিন্তু তার পাশে আরেকজন – একটা যুবক, লম্বা চওড়া, মাসকুলার বডি, নাম অরুণ। "মেয়েরা, এটা আমার ফ্রেন্ড অরুণ। কলেজের আরেক ডিপার্টমেন্টের প্রফেসর। আজ তোমাদের সারপ্রাইজ – দু'জন পুরুষ, তিনজন মেয়ে।" সোনালী অবাক হয়ে গেলো, তার যোনিতে একটা টিংগেল অনুভূতি। মিয়া চোখ মটকালো, "ওয়াও স্যার, আজ তো ডাবল মজা।" নিয়া অরুণের দিকে তাকিয়ে বললো, "হ্যালো হ্যান্ডসাম, তোমারটা কতো বড়?" অরুণ হাসলো, "দেখিয়ে দেবো।"
লিভিং রুমে ডিম লাইট, মিউজিক বাজছে – সেক্সি বিটস। স্যার ওয়াইন সার্ভ করলেন, কিন্তু এবার মিক্স করে কিছু অ্যাফ্রোডিসিয়াক। "এটা তোমাদের আরও হট করে তুলবে।" সোনালী চুমুক দিয়ে অনুভব করলো, তার শরীর গরম হয়ে উঠছে, যোনিতে ভেজা ভেজা। মিয়া তার ড্রেস খুলে ফেললো, তার লাল লেঞ্জারি দেখা গেলো – স্বচ্ছ, তার নিপল শক্ত হয়ে ফুটে উঠেছে। নিয়া অরুণের কাছে গিয়ে তার শার্ট খুলে দিলো, তার চওড়া বুকটা চুমু খেতে শুরু করলো। "উম্ম... অরুণ, তোমার বডি কী হার্ড।" অরুণ নিয়ার স্কার্ট তুলে তার নিতম্ব চেপে ধরলো, "তোমার অ্যাসটা কী জুসি।"
স্যার সোনালীকে কোলে তুলে নিলেন, বেডরুমে নিয়ে গেলেন। বেডটা এবার বড়, চারদিকে মিরর। "সোনালী, আজ তোমাকে দু'জনে মিলে নেবো।" সোনালী লজ্জায় কিন্তু উত্তেজনায় কাঁপছে। স্যার তার ড্রেস খুলে ফেললেন, তার ফর্সা শরীরটা নগ্ন। অরুণ ঢুকলো, তার প্যান্ট খুলে তার লিঙ্গ বের করলো – লম্বা, মোটা, স্যারের মতোই। সোনালী হাঁটু গেড়ে বসলো, দু'জনের লিঙ্গ একসাথে চুষতে শুরু করলো। "উম্ম... স্যার... অরুণ... তোমাদেরটা কী বড়... আমার মুখ ভরে গেছে..." তার জিভ দু'টায় ঘুরছে, লালা মিশে চকচক করছে। মিয়া আর নিয়া ঢুকলো, মিয়া সোনালীর পেছনে গিয়ে তার যোনিতে জিভ দিলো। "আহ... মিয়া... চোষ... আমার পুসি ভেজা..." নিয়া অরুণের বলস চুষছে, স্যার মিয়ার স্তন চেপে ধরেছেন।
স্যার সোনালীকে বেডে শুইয়ে দিলেন, তার পা ফাঁক করে তার যোনিতে লিঙ্গ ঢোকালেন। "উফ... স্যার... তোমারটা আমার ভিতরে... গভীরে..." সোনালী গোঙাচ্ছে, তার শরীর দুলছে। অরুণ সোনালীর মুখে তার লিঙ্গ ঢোকালো, "চোষ সোনালী, গভীরে নে।" সোনালী দু'দিক থেকে নেয়া হচ্ছে, তার যোনি আর মুখ ভর্তি। "আহ... আহ... স্যার... অরুণ... ফাক মি... হার্ডার..." মিয়া নিয়াকে শুইয়ে তার যোনিতে স্ট্র্যাপ-অন ডিল্ডো ঢোকালো, "নিয়া, তুই তো চাইছিস রাফ। নে এটা।" নিয়া চিৎকার করছে, "আহ... মিয়া... জোরে... ফাক মি লাইক অ্যা স্লাট..." তার যোনি থেকে রস ঝরছে, বেড ভিজে গেছে।
এবার সুইচ। অরুণ সোনালীকে পেছন থেকে নিলো, তার অ্যানালে আঙ্গুল দিয়ে প্রিপেয়ার করলো। "সোনালী, আজ তোমার অ্যাস নেবো।" সোনালী ভয় পেয়ে গেলো, "অরুণ... ধীরে... আমি ফার্স্ট টাইম..." কিন্তু অরুণ অয়েল মেখে ধীরে ধীরে ঢোকালো। "আহ... পেইন... কিন্তু... গুড... উফ... গভীরে..." সোনালীর শরীর কাঁপছে, স্যার তার যোনিতে ঢোকালেন – ডাবল পেনিট্রেশন। "আহ... স্যার... অরুণ... দু'টা একসাথে... আমি পাগল হয়ে যাবো... আহ... ফাস্টার..." তার চিৎকার রুম ভরে দিয়েছে, তার যোনি আর অ্যানাল প্রসারিত, রস বেরোচ্ছে। মিয়া নিয়ার ওপর উঠে ৬৯ পজিশনে, দু'জন একে অপরের যোনি চাটছে। "উম্ম... নিয়া... তোর পুসি কী সুইট... চোষ... আমার ক্লিট..." নিয়া মিয়ার অ্যানালে আঙ্গুল দিলো, "আহ... মিয়া... তুই তো হর্নি বিচ..."
স্যার আর অরুণ পালা করে সবাইকে নিচ্ছেন। মিয়াকে দু'জনে মিলে লিফট করে, স্যার যোনিতে, অরুণ অ্যানালে। মিয়া চিৎকার করছে, "আহ... গাইজ... দু'টা লিঙ্গ... আমার ভিতরে... উফ... আমি কামিং... আহ..." তার শরীর কাঁপতে কাঁপতে ক্লাইম্যাক্স, রস ছিটকে বেরোয়। নিয়া স্যারের ওপর উঠে রিভার্স কাউগার্ল, তার নিতম্ব লাফাচ্ছে। "স্যার... তোমার লিঙ্গটা আমার অ্যাসে... জোরে... স্প্যাঙ্ক মি..." স্যার তার নিতম্বে চড় মারলো, লাল হয়ে গেলো। অরুণ নিয়ার যোনিতে ভাইব্রেটর ঢোকালো, "নে এটা, ডাবল স্টিমুলেশন।" নিয়া পাগলের মতো চিৎকার, "আহ... অরুণ... স্যার... আমি স্কুইর্ট করবো... উফ..." তার যোনি থেকে রস ফোয়ারার মতো বেরিয়ে গেলো, সবাই ভিজে গেলো।
রাত গভীর হচ্ছে, কিন্তু উত্তাপ কমছে না। স্যার একটা হ্যান্ডকাফ নিলেন, সোনালীকে বেঁধে দিলেন। "এবার তোমাকে টিজ করবো।" অরুণ আর স্যার দু'জন তার শরীরে জিভ বোলাতে শুরু করলো – স্তন, পেট, যোনি। সোনালী গোঙাচ্ছে, "প্লিজ... ফাক মি... আমি আর সহ্য করতে পারছি না..." মিয়া আর নিয়া একে অপরকে সিজরিং করছে, তাদের যোনি একে অপরের সাথে ঘষছে। "আহ... নিয়া... তোর পুসি আমারটা ঘষ... ফাস্টার..." দু'জনের গোঙানি মিশে যাচ্ছে। শেষে স্যার আর অরুণ সবাইকে এক লাইনে শুইয়ে পালা করে ঢোকাচ্ছেন। "আহ... সোনালী... মিয়া... নিয়া... তোমরা আমাদের স্লাট..." স্যার বললেন। তাদের লিঙ্গ ফুলে উঠলো, প্রথমে সোনালীর যোনিতে রস ছেড়ে দিলেন, তারপর মিয়ার অ্যানালে, নিয়ার মুখে। "উফ... গাইজ... তোমাদের কাম... হট... সুয়ালো করছি..."
সকাল হয়ে গেলো, সবাই ক্লান্ত কিন্তু হাসছে। স্যার বললেন, "পরের বার আরও সারপ্রাইজ। মেয়েরা, তোমরা অ্যামেজিং।" সোনালী ভাবছে, এই উত্তাপ যেন কখনো শেষ না হয়। তিনজন বাইরে বেরিয়ে মিয়া বললো, "আজ তো পুরো ফায়ার। পরেরটা আরও হট হবে।" নিয়া হাসলো, "নিশ্চয়, আমরা তো অ্যাডিক্টেড।" এভাবে তাদের গোপন জীবন চলতে থাকলো – প্রতি উইকেন্ডে নতুন উত্তাপ, নতুন ফ্যান্টাসি।